১০মিনিটের বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে ইরাকে!

সারাবিশ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ৪২ বছরের গৃহবধূ আমিনা হাসান একজন তুর্কি নারী। সিরিয়া ও ইরাকে অবৈধভাবে এসে তথাকথিত আইএস-অধ্যুষিত এলাকায় দুইবছরের বেশি সময় ধরে পরিবারসহ বাস করছেন তিনি।

অবশ্য, ইরাকি বিচারকের সামনে তার একমাত্র পরিচয় তিনি ইসলামি জঙ্গিসংগঠন ইসলামিক স্টেট-আইএস’র একজন সমর্থক। আর এই অপরাধের বিচারকার্য চলাকালে বিচারপতি তাকে দিয়েছেন মাত্র ২মিনিট সময়। ন্যূনতম এই সময়ের মধ্যেই স্বপক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হবে আমিনাকে। আর গুরুতর এ অপরাধে চলা বিচারকার্য পরিচালনার নির্ধারিত সময় ছিলো ১০মিনিট। খবর নিউইয়র্ক টাইমস

ইরাকি বিচারপতিকে আমিনা জানান, দুইবছরের বেশি সময় আইএস-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বাস করলেও কোনদিন জঙ্গি সংগঠনটির কাছ থেকে একপয়সা নেননি তিনি। তুরস্ক থেকে পালিয়ে আসার সময় যে পরিমাণ অর্থ সাথে নিয়ে এসেছেন, তাই দিয়েই নিজের পরিবার চালিয়েছেন আমিনা। এই ছিলো ২মিনিট সুযোগ পেয়ে নিজের পক্ষে বলা তার সরল স্বীকারোক্তি। এরপর, বিচারের জন্য নির্ধারিত ১০মিনিট সময় শেষে বিচারপতি আমিনাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন।

আমিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর আরও ১৩জন নারীকে একই অপরাধে বিচারকের সামনে আনা হয়। পরবর্তী ২ঘণ্টার মধ্যে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত হন আমিনাসহ মোট ১৪নারী। ৱ

প্রসঙ্গত, আইএস সমর্থনের মত গুরুতর অপরাধের শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি দেশটির লাখো জনতার সমর্থন পাচ্ছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *